মেয়েদের স্তন ঝুলে যাওয়া প্রতিরোধের উপায়:
১. যাদের স্তন ঝুলে যাচ্ছে দিনের দিন তাদের জন্য খুব সহজ একটি ঘরোয়া বটিকা উপহার দিচ্ছি। শসার রস এবং ডিমের কুসুম দিয়ে একটি প্যাক তৈরী করবেন। গোসলের আধা ঘন্টা আগে স্তনের চারপাশে সেটা মাখবেন। তারপর অন্তত ১৫ মিনিট কিংবা ২০ মিনিট অপেক্ষা করবেন। তারপর গোসল করবেন। এভাবে অন্তত ১ সপ্তাহ করবেন। আপনার স্তন ঝুলে যাওয়া বন্ধ হবে। আপনি নিজেই খুব সহজে বুঝতে পারবেন।
২. নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাবেন। বিশেষ করে দুধ, ডিম এবং ডাল দিনে অন্তত ১ বার খাওয়ার চেষ্টা করবেন। তবে যারা মোটা হওয়ার কারণে স্তন ঝুলে যাচ্ছে তাদের এ নিয়ম মানতে হবে না। হিতে বিপরীত হবে।
৩. বাড়ির পাশে যদি পুকুর বা নদী থাকে তবে নিয়মিত সাঁতার কাটুন। তাহলে আপনার স্তন ঝুলে যাওয়া থেকে রক্ষা হবে।
৪. নিয়মিত স্তনের চারপাশে ১ থেকে ২ মিনিট ম্যাসাজ করবেন। হতে পারে অলিভ অয়েল কিংবা অন্য কোন তরল দিয়ে। এ সম্পর্কিত ব্যায়ামের ভিডিও ইউটিউবে সার্চ করে দেখে আসতে পারেন।
৫. ১২ বছরের পর হতেই নিয়মিত স্তনের সাইজ অনুযায়ী ব্রা পড়ার অভ্যাস করতে হবে। তাহলে সন্তান হলেও স্তন ঝুলে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
৬. বেশি করে সবুজ শাকসব্জি এবং ফলমুল খাওয়ার চেষ্টা করবেন। বিভিন্ন ফলে ইলাস্টেন হরমোন তৈরীর উপাদান থাকে। ইলাস্টেন হরমোন যতোটা স্ট্রং থাকবে আপনার স্তন তত শক্ত থাকবে অর্থাৎ ঝুলে পড়বে না।
৭. প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করবেন। যারা কম পরিমাণে পানি পান করে তাদের কিন্তু স্তন আস্তে আস্তে ঢিলা হয়ে যায় অর্থাৎ নিচের দিকে ঝুলে পড়ে।
৮. আপনি কসমেটিক সার্জারীর মাধ্যমেও আপনার ঝুলে যাওয়া স্তন ঠিক করে নিতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে এটা অবশ্যই ব্যয়বহুল এবং দেশের সব জায়গায় এই সেবা পাওয়া যায় না।
৯. নিয়মিত বরফ ঘসলেও স্তনের আকার ঠিক হয়ে যায় এবং ঝুলে যাওয়া রোধ হয়।
১০. অবশ্যই ধুমপান এবং নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন বন্ধ করতে হবে। নচেৎ কোন কাজেই আপনার স্তন ঝুলে যাওয়া রোধ করতে পারবেন না।
পরিশেষে বলতে চাই, মেয়েদের স্তন ঝুলে যাওয়া স্বাভাবিক যদি তা বয়সের সাথে মিল রেখে হয়। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট বয়সের পূর্বেই যদি এমন হয় তবে তা অসুখের কারণে কিংবা অন্য কোনো কারণে হয়েছে তা নিশ্চিত।
স্তন ঝুলে গেল মূলত কোনো সমস্যা নেই। হয়তো কারও স্বামী এটা পছন্দ করে না কিংবা মেয়েদের নিজেরও এটা পছন্দ নয়। তাছাড়া, সৌন্দর্য ব্যহত হয়।
তাই স্তন ঝুলে পড়ার লক্ষণ দেখা দিলে উপরের নিয়মগুলো মানার চেষ্টা করুন এবং প্রয়োজনে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, এটা আসলে কোনো রোগ নয়।
Comments
Post a Comment